ঢাকা,  শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, কার্তিক ৭ ১৪৩৩

বন্যার ঝুঁকিতে এশিয়ার উপকূলীয় অর্থনীতি, বন্দর ও বাণিজ্য

২০৫০ সালে উপকূলীয় বন্যায় বার্ষিক ক্ষতি হতে পারে ১৯৯ বিলিয়ন ডলার; বন্দর কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকিতে বছরে ৪৫ বিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড

দেশ ও প্রবৃদ্ধি

ডিএসজে প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০:৩০,২১ অক্টোবর ২০২৬

আপডেট: ২০:৫৪,২২ অক্টোবর ২০২৬

সর্বশেষ

বন্যার ঝুঁকিতে এশিয়ার উপকূলীয় অর্থনীতি, বন্দর ও বাণিজ্য

প্রতীকী ছবি (এআই দ্বারা তৈরী)

এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি উপকূলীয় অঞ্চল এখন ক্রমবর্ধমান বন্যার ঝুঁকিতে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের তীব্রতা বাড়ায় হুমকির মুখে পড়ছে বন্দর, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও শিল্প উৎপাদন। কার্যকর সুরক্ষাব্যবস্থা না নিলে ২০৫০ সাল নাগাদ উপকূলীয় বন্যায় বছরে সর্বোচ্চ ১৯৯ বিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক ক্ষতি হতে পারে।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) বুধবার (২১ অক্টোবর) প্রকাশিত এশিয়া-প্যাসিফিক ক্লাইমেট রিপোর্ট ২০২৬: কোস্টাল রিস্কস অন দ্য রাইজ—অ্যাকশনস ফর আ রেজিলিয়েন্ট ফিউচার শীর্ষক প্রতিবেদনে এ পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এতে উপকূলীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক গুরুত্ব, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, বন্দর ও সরবরাহব্যবস্থার ঝুঁকি এবং ভবিষ্যৎ ক্ষতি মোকাবিলায় বিনিয়োগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের উপকূলীয় এলাকাগুলোতে বছরে প্রায় ৭ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়। এসব অঞ্চল আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, শিল্প উৎপাদন, পর্যটন, পরিবহন ও কর্মসংস্থানের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে পণ্য আমদানি-রপ্তানি এবং আঞ্চলিক সরবরাহব্যবস্থার বড় অংশ উপকূলীয় বন্দর ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামোর ওপর নির্ভরশীল।

অথচ এসব অঞ্চলে উপকূলীয় বন্যার কারণে বর্তমানে বছরে প্রায় ২৭ বিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে। পর্যাপ্ত অভিযোজনব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে ২০৫০ সালে ক্ষতির পরিমাণ বেড়ে ১৭২ থেকে ১৯৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। অর্থাৎ আগামী ২৪ বছরে উপকূলীয় বন্যার বার্ষিক ক্ষতি বর্তমানের তুলনায় প্রায় ৬ থেকে ৭ গুণ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

শতাব্দীর শেষ নাগাদ পরিস্থিতি আরও গুরুতর হতে পারে। এডিবির পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২১০০ সালে উপকূলীয় বন্যায় বছরে ৫২০ থেকে ৭৩৯ বিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক ক্ষতি হতে পারে। সর্বোচ্চ প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, তা বর্তমান ক্ষতির প্রায় ২৭ গুণ।

এই বিপুল ক্ষতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বন্দর ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য। এডিবির হিসাবে, উপকূলীয় দুর্যোগের কারণে বন্দর কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকিতে বছরে ৪০ থেকে ৪৫ বিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড রয়েছে। অর্থাৎ বন্যা শুধু উপকূলীয় জনবসতি বা অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত করবে না, আন্তর্জাতিক পণ্য পরিবহন ও সরবরাহব্যবস্থার ওপরও চাপ তৈরি করতে পারে।

বন্দর কার্যক্রম ব্যাহত হলে জাহাজ থেকে পণ্য খালাস, কনটেইনার পরিবহন, কাঁচামাল সরবরাহ এবং রপ্তানি পণ্য জাহাজীকরণে বিলম্ব হতে পারে। এতে ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে আমদানিকৃত কাঁচামালনির্ভর শিল্প এবং নির্ধারিত সময়ে পণ্য সরবরাহের ওপর নির্ভরশীল রপ্তানিকারকেরা বেশি চাপে পড়তে পারেন।

এডিবির জলবায়ু পরিবর্তন ও টেকসই উন্নয়ন বিভাগের মহাপরিচালক ইয়েভগেনি ঝুকভ বলেন, উপকূলীয় অঞ্চল এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম ভিত্তি। কিন্তু সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও ক্রমবর্ধমান প্রাকৃতিক দুর্যোগ এসব অঞ্চলের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ঝুঁকিভিত্তিক সমাধানের মাধ্যমে এখনই পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এডিবির উন্নয়নশীল সদস্যদেশগুলোর উপকূল থেকে ১০ কিলোমিটারের মধ্যে ৪০ কোটির বেশি মানুষ বসবাস করেন। তাঁদের একটি বড় অংশের জীবন-জীবিকা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে উপকূলীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত। এসব এলাকায় শিল্পকারখানা, বন্দর, সড়ক, বিদ্যুৎ, আবাসন ও পর্যটন অবকাঠামো গড়ে উঠেছে।

ফলে উপকূলীয় বন্যার ঝুঁকি বাড়লে শুধু মানুষের বসতবাড়ি ও সম্পদের ক্ষতি হবে না; কর্মসংস্থান, উৎপাদন ও স্থানীয় অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। দুর্যোগের পর অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্বাভাবিক করতে সরকার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ তৈরি হতে পারে।

বড় উপকূলীয় শহরগুলোর জন্যও উদ্বেগজনক পূর্বাভাস দিয়েছে এডিবি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যাংকক, জাকার্তা, কলকাতা ও মুম্বাইয়ের মতো শহরে অতীতে যে মাত্রার বন্যা প্রায় ১০০ বছরে একবার ঘটত, শতাব্দীর শেষ নাগাদ সেই মাত্রার বন্যা প্রতিবছর ঘটার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

এসব শহর আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। ফলে সেখানে বড় ধরনের বন্যা হলে শিল্প উৎপাদন, আর্থিক সেবা, পরিবহন ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ওপর প্রভাব পড়তে পারে। একটি অঞ্চলের বন্দর বা সরবরাহব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটলে তার প্রভাব অন্য দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যেও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্যও এডিবির এই পূর্বাভাস গুরুত্বপূর্ণ। দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের বড় অংশ সমুদ্রবন্দরনির্ভর। চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরের পাশাপাশি উপকূলীয় শিল্পাঞ্চল, জ্বালানি অবকাঠামো, মৎস্যসম্পদ ও কৃষি খাত জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত।

উপকূলীয় দুর্যোগের কারণে বন্দর ও পরিবহনব্যবস্থা ব্যাহত হলে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম, শিল্পের কাঁচামাল সরবরাহ এবং পণ্য পরিবহনে চাপ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে তৈরি পোশাকসহ রপ্তানিনির্ভর শিল্পের জন্য সময়মতো পণ্য জাহাজীকরণ গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় বন্দর কার্যক্রমে দীর্ঘস্থায়ী বিঘ্ন অর্থনৈতিক ক্ষতির ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

তবে এডিবির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা ১৯৯ বিলিয়ন কিংবা ৭৩৯ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতির পূর্বাভাস পুরো এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য। এগুলো বাংলাদেশের একক সম্ভাব্য ক্ষতির হিসাব নয়। বাংলাদেশের বন্দর, শিল্প ও উপকূলীয় অর্থনীতির ঝুঁকির আর্থিক পরিমাণ নির্ধারণে পৃথক দেশভিত্তিক বিশ্লেষণ প্রয়োজন।

এডিবির হিসাবে, বড় অর্থনীতিগুলোতে উপকূলীয় বন্যার কারণে মোট আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ বেশি হতে পারে। তবে ছোট দ্বীপরাষ্ট্রগুলোর অর্থনীতিতে ক্ষতির আপেক্ষিক প্রভাব আরও গুরুতর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। উচ্চ কার্বন নিঃসরণ পরিস্থিতিতে ২১০০ সাল নাগাদ কিছু ছোট দ্বীপরাষ্ট্রে বার্ষিক বন্যার ক্ষতি মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩০ থেকে ৬০ শতাংশের সমপরিমাণ হতে পারে।

এমন পরিস্থিতিতে উপকূলীয় দুর্যোগ মোকাবিলা শুধু পরিবেশগত বিষয় নয়, জাতীয় অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষারও বড় চ্যালেঞ্জ। দুর্যোগের ক্ষতি মোকাবিলায় সরকারি ব্যয় বেড়ে গেলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো ও অন্যান্য উন্নয়ন খাতে বিনিয়োগের সক্ষমতা সংকুচিত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

তবে সম্ভাব্য ক্ষতি কমানোর সুযোগও রয়েছে বলে মনে করছে এডিবি। সংস্থাটির হিসাবে, উপকূলীয় বন্যার ক্ষতি বর্তমান পর্যায়ে সীমিত রাখতে বছরে ৯ থেকে ১৯ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ প্রয়োজন। এই বিনিয়োগের মাধ্যমে বছরে ১৭৮ থেকে ৩৬০ বিলিয়ন ডলারের সম্ভাব্য ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হতে পারে।

অর্থাৎ উপকূলীয় সুরক্ষায় আগাম বিনিয়োগকে শুধু দুর্যোগ মোকাবিলার ব্যয় হিসেবে দেখলে চলবে না। বন্দর, শিল্পকারখানা, পরিবহন অবকাঠামো ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখার জন্যও এটি গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ। তবে সম্ভাব্য ক্ষতি এড়ানোর হিসাবকে সরাসরি নিশ্চিত আর্থিক সাশ্রয় হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না।

জলবায়ু অভিযোজনের জন্য আন্তর্জাতিক অর্থায়ন বাড়লেও প্রয়োজনের তুলনায় ঘাটতি রয়ে গেছে। এডিবির তথ্য অনুযায়ী, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের উপকূলীয় অর্থনীতিগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক অভিযোজন অর্থায়ন ২০১৫ সালে ছিল প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার। ২০২২–২৩ সালে তা বেড়ে বছরে গড়ে ১১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। অর্থাৎ এই সময়ের ব্যবধানে বার্ষিক অর্থায়ন প্রায় ১২৮ শতাংশ বেড়েছে।

কিন্তু জলবায়ু ঝুঁকির মাত্রা ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো বিনিয়োগের তুলনায় অর্থায়ন এখনো অপর্যাপ্ত। বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য দীর্ঘমেয়াদি উপকূল সুরক্ষা প্রকল্প বাস্তবায়নে বিপুল অর্থের প্রয়োজন। সরকারি বাজেটের সীমাবদ্ধতার কারণে শুধু রাষ্ট্রীয় অর্থায়নের ওপর নির্ভর করে এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন কঠিন হতে পারে।

এ পরিস্থিতিতে সরকারি অর্থায়নের পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগ, সহজ শর্তের ঋণ এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের অর্থায়ন বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছে এডিবি। একই সঙ্গে উপকূলীয় অঞ্চলের ঝুঁকি বিবেচনায় অবকাঠামো নির্মাণ, নগর পরিকল্পনা, ভূমি ব্যবহার এবং শিল্পাঞ্চল উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সংস্থাটি বলছে, জলবায়ু অভিযোজনকে জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনার মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ পরিকল্পনা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, সুশাসন এবং বিভিন্ন সরকারি সংস্থার মধ্যে সমন্বয়। পাশাপাশি দুর্যোগের ঝুঁকি বিবেচনায় বন্দর ও পরিবহন অবকাঠামোর সহনশীলতা বাড়ানো জরুরি।

এডিবির পূর্বাভাসে উপকূলীয় অর্থনীতির জন্য দুটি ভিন্ন ভবিষ্যতের ইঙ্গিত রয়েছে। একদিকে কার্যকর সুরক্ষাব্যবস্থা না নিলে বন্যার ক্ষতি বহুগুণ বাড়তে পারে। অন্যদিকে আগাম বিনিয়োগের মাধ্যমে সেই ক্ষতির বড় অংশ এড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের উপকূলীয় এলাকাগুলো বছরে যে ৭ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ভিত্তি তৈরি করছে, তার ধারাবাহিকতা রক্ষায় তাই জলবায়ু অভিযোজন ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। বিশেষ করে বন্দর ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মতো পরস্পরনির্ভর খাতে উপকূলীয় দুর্যোগের প্রভাব একটি দেশের সীমানা ছাড়িয়ে অন্য দেশের অর্থনীতিতেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।

ফলে উপকূলীয় বন্যা মোকাবিলার বিনিয়োগ শুধু ভবিষ্যতের দুর্যোগের ক্ষতি কমানোর উদ্যোগ নয়; আঞ্চলিক বাণিজ্য, শিল্প উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখারও গুরুত্বপূর্ণ শর্ত।

সর্বশেষ